বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০

রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০

ইনডোর প্ল্যান্টের যত্ন

১.মাটিতে বেড়ে ওঠা গাছে অতিরিক্ত পানি দেবেন না। যেহেতু ঘরের ভেতরে রোদ থাকে না, সেহেতু গাছের গোড়ায় পানি জমিয়ে রাখা চলবে না। এতে পচে যাবে গাছের শিকড়। লম্বা একটি কাঠি টবের মাটিতে ঢুকিয়ে তুলে আনুন। কাঠির গায়ে যদি ভেজা মাটি লেগে থাকে, তাহলে বুঝবেন গাছে পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ২.একদম বদ্ধ ও ভ্যাপসা ঘরে গাছ রাখবেন না। এতে গাছে ফাঙ্গাস আক্রমণ করতে পারে। যে ঘরে আলো-বাতাস চলাচল করে, সেখানেই রাখুন গাছ। যে ঘরে এসি চলে বা ঘরের তাপমাত্রা ঘন ঘন পরিবর্তন হয়, সেখানে গাছ না রাখাই ভালো। ৩.টবে যেন ঝরা ফুল, শুকনো পাতা জমে না থাকে। গাছের পাতায় ঘরের ধুলা-ময়লা জমলে শুকনা সুতির কাপড় বা স্পাঞ্জ দিয়ে হালকা করে মুছে নিন। ৪.গাছের পাতা ছোট হলে স্প্রে বোতলে পানি ভরে স্প্রে করে পাতা পরিষ্কার করুন। গাছে কুঁড়ি আসলে টব এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাবেন না। এতে কুঁড়ি ঝরে যায়। ৫.একসঙ্গে অনেক গাছ পরিষ্কার করতে চাইলে শাওয়ারের তলায় গাছগুলো রাখুন। তবে পরিষ্কার করার আগে গাছের গোড়ার অংশ ও তার চারদিক প্লাস্টিক দিয়ে মুড়ে দেবেন। নইলে গাছের মাটি ধুয়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ৬.পানিতে বড় হওয়া গাছের পানি নির্দিষ্ট সময় পর পর বদলে দেবেন। ৭.গাছে পোকামাকড়ের অত্যাচার কমাতে পানিতে অ্যাসপিরিন জাতীয় ট্যাবলেট গুঁড়া করে মিশিয়ে নিন। বোতলে ভরে গাছের পাতায় মাঝে মাঝে স্প্রে করুন। ৮. যে পটে অথবা টবে গাছগুলো রাখবেন, খেয়াল রাখবেন সেগুলোর নিচে যেন অন্তত একটি ছিদ্র থাকে। ৯. শুধু গাছের গোড়ায় পানি দিলেই কাজ শেষ এমনটা ভাবার কারণ নেই। গাছের পাতায় সপ্তাহে তিনদিন পানি স্প্রে করুন। এতে গাছের পাতায় ধুলাবালি জমবে না এবং গাছগুলোর মধ্যে সতেজ ভাব থাকবে। তবে রবার ও স্ন্যাক প্ল্যান্টের যত্ন আলাদা। এ বিষয়ে পরবর্তী পোস্ট পেতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। ১০ .পাতা পরিস্কার করার সময় অল্প নিমের তেল বা এন্টি-ইন্সেক্টিসাইড সাবান ব্যবহার করতে পারেন। plant shop এর সব ইনডোর প্ল্যান্ট দেখতে এখানে ❣️ক্লিক করুন

মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০

গাছ ভালোবাসি কিন্তু রোদ নেই😥(Ep-1)

 কম আলো,রোদ আসেনা বলে অনেকেই মন খারাপ করে থাকেন। আজ থেকে শুরু হলো Plant Shop এর নতুন পর্ব ‘গাছ ভালোবাসি কিন্তু রোদ নেই😥’। যেখানে আমরা আলোচনা করবো এ পরিবেশে কি কি গাছ রাখা যাবে।

🌿পর্ব ১

ছায়াযুক্ত বাগানের অন্যতম একটি গাছ বাটারফ্লাই বা অক্সালিস।  যারা নতুন বাগান শুরু করতে যাচ্ছেন তাদের জন্য এটা আদর্শ। সব থেকে সুন্দর এর প্রজাপতির মতো পাতা। কখনো ঘুমায় আবার কখনো জেগে উঠে। যেনো জীবন্ত এক প্রজাপতি। অল্প কিছু নিয়ম মেনে চললেই পাবেন সুন্দর ফুল। এই গাছ দুই রকম হয়। বেগুনি পাতায় সাদা ফুল আর সবুজ পাতায় হালকা মেজেন্টা ফুল হয়। যে কোন মাটিতেই হয় এই গাছ। সকালের হালকা রোদ দিতে পারেন। তবে সরাসরি রোদে এর পাতা পুড়ে যায়। তাই পরোক্ষ আলোই এর জন্য ভালো।  পানি প্রয়োজন অনুযায়ি প্রতিদিনই দিতে হবে। মাটি যেনো একবারে শুকিয়ে না যায়। যদি দেখেন পাতাগুলি নুয়ে পড়েছে। ভয় পাবেন না। বুঝবেন পানির অভাব হয়েছে। পানি দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর ঠিক হয়ে যাবে। এর পাতা খুব নরম হওয়াতে নার্সারি থেকে আনতে বা কোথাও নিয়ে যেতে গেলে ভেঙ্গে যেতে পারে। তবে এর বড় সুবিধা হলো কন্দগুলো বেঁচে থাকলেই কিছুদিন পর নতুন পাতা আসবে। গত বছর আমার কিছু গাছ মাটিতে মিশে গিয়েছিলো। এবার সেই টবেই নতুন গাছ পেয়েছি।